ঢাকাThursday , 6 August 2026
  1. অর্থনীতি ও বানির্জ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. দেশজুড়ে
  6. নির্বাচন
  7. বিনোদন
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষা
  10. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগে সংখ্যার খেলা বন্ধ হোক, তারপর বিচার-অনুশোচনার কথা” – সজীব ওয়াজেদ জয়

newsbbcbangla
August 6, 2026 1:53 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে এবং একতরফা বিচার দাবি না করে সকল অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকের “২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে এত মানুষ নিহত হয়েছে, এ ব্যাপারে আপনাদের অনুশোচনা আছে কি না” – এই প্রশ্নের জবাবে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন,
“কোনো হত্যাকাণ্ডই গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু আগে তো নির্ধারণ করতে হবে, আসলে কী ঘটেছে।”
“কখনো বলা হয় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, পরে বলা হয় চৌদ্দশো, আবার সরকারি গেজেটে আছে ৮২০ জন। সেখান থেকে পরে দেড়শ জনের মতো নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি অসংখ্য জীবিত মানুষের নামও সেই তালিকায় রয়েছে। আওয়ামী পরিবার এবং ব্যক্তিগতভাবে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এমন মানুষের নামও সেই তালিকার ভেতরে রয়েছে। এভাবে তারা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে।”
“তাহলে এত বড় একটি বিষয় নিয়ে যদি প্রতিনিয়ত সংখ্যাই বদলাতে থাকে, তাহলে কোনটাকে সত্য ধরা হবে?”
“একপক্ষকে দায়মুক্তি, আরেকপক্ষের বিচার – এটা কীভাবে হয়?”

জয় বলেন, একদিকে হত্যার বিচার চাওয়া হচ্ছে, আবার অন্যদিকে নিজেদের দলের যারা সহিংসতায় জড়িয়েছে তাদের জন্য ইন্ডেমনিটি দেওয়া হচ্ছে।
“এটা কীভাবে হয়? যদি তারা কোনো অপরাধই না করে থাকে, তাহলে ইন্ডেমনিটি কেন দিতে হবে? আর যদি ইন্ডেমনিটি দিতে হয়, তাহলে তো স্বীকার করতেই হবে যে তাদের হাতেও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।”
“আপনি এক পক্ষের বিচার চাইছেন, আরেক পক্ষকে দায়মুক্তি দিচ্ছেন। আগে নিজের অবস্থান ঠিক করুন। তারপর বিচার, ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনার কথা বলুন। একসঙ্গে দুই নৌকায় পা দিয়ে থাকা যায় না।”

তিনি বলেন, জাতিসংঘের যে রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সেটিও তারা চ্যালেঞ্জ করেছেন।
“আমরা বলেছি, জাতিসংঘ যেন সকল নাম-ঠিকানাসহ তালিকা আমাদের দেয়। আমাদের বিশাল সংগঠন আছে, আমরা প্রত্যেকটি পরিবার থেকে খোঁজ নেব। কারণ আগে এই সংখ্যার খেলা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।”
“জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৬৫০ জন এবং ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আরও ৮২ জন নিহত হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্ট দুপুরেই তো শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। এরপর যদি কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, সেটার দায় কীভাবে শেখ হাসিনার ওপর বর্তায়? আগে এই প্রশ্নগুলোর গ্রহণযোগ্য উত্তর দিতে হবে।”

সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেন, ২৪ এর আন্দোলনকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ বলাও ঠিক নয়।
“সবার হাতেই লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্র ছিল। পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে। এসবের হাজার হাজার ভিডিও ফুটেজ আজও ইন্টারনেটে রয়েছে।”
“কোনো দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হলে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা হলে, সেটা ঠেকানোর নৈতিক ও আইনগত অধিকার কি রাষ্ট্রের নেই? পৃথিবীর যে কোনো সভ্য দেশেই রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা এবং সহিংসতা দমন করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, “প্রত্যেকটি অপরাধের বিচার হতে হবে – আমরা তো সেটাই আগে থেকেই দাবি করেছি। কিন্তু আপনি আমাদের লোকজনের বিচার চাইছেন, অথচ আপনার লোকজনকে দায়মুক্তি দিয়েছেন। কিসের ভিত্তিতে?”

উল্লেখ্য: ৫ আগস্টের পর এটি সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রথম কোনো প্রকাশ্য ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশগ্রহণ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।